মুখের ব্রণ নিয়ে ভাবনা আর না !!!

ত্বকের যত্ন নিয়ে মহিলাদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই।সবাই চান লাবণ্যময় মসৃণ ত্বক।বিশেষ করে মুখের ত্বকের ব্যাপারে কোনো কম্প্রোমাইজ করতে চান না অধিকাংশ সৌন্দর্য্য সচেতন মহিলা।

সামন্য কিছুতেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন তারা।তেমনই একটি উদ্বিগ্ন হওয়ার বিষয় হলো ব্রণ।কারণ, ব্রণ হলেই শুরু হয়ে  যায় মনের অজান্তে খোঁচাখুঁচি। ফলে কালো দাগ নিত্যসঙ্গী হয়ে যায়।তবে অনেকেই জানেন না, ব্রণের খুবই আধুনিক চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে হচ্ছে।

 

ইদানিং বাংলাদেশে উন্নতমানের চিকিৎসার  মাধ্যমে ব্রণকে সমূলে উৎপাটিত করা সম্ভব।

 

সাধারণত তিন ধরণের ব্রণ দেখা যায়।মাইল্ড বা মৃদু ধরণের ব্রণ, মডারেট বা মাঝারি মাত্রার ব্রণ, সিভিয়ার বা তীব্র ধরণের ব্রণ।

ক্ষেত্রবিশেষে  এইসব ব্রণের চিকিৎসা বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।মৃদু ধরণের ব্রণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র মুখে ওষধ ব্যবহার করলেই চলে।মধ্য ধরণের ব্রণের ক্ষেত্রে মুখে ওষধ ব্যবহার ও উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয়।তবে তীব্র ধরণের ক্ষেত্রে সনাতনী চিকিৎসা যেমন- ট্রপিক্যাল ক্রীম,মুখে এন্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য ওষুধ ব্যবহার করা যায়।তবে অপ্রচলিত ওষুধের মধ্যে আছে আইসোটেরিটিনযেন এবং অন্যান্য ওষুধ।

 

তবে মুখের ব্রণের চিকিৎসা নিজে নিজে করা উচিত নয়।এমনকি ব্রণ হলে সেগুলো খোঁটাখুঁটি করাও ঠিক নয়।সঠিক প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা না দিলে ব্রণ সেরে যাবার পর আবার আসতে পারে।আমাদের দেশে সাধারণত এক মাসের চিকিৎসায় ব্রণ ভালো হলে ওষুধ বন্ধ করে দেয়া হয়।অনেক ক্ষেত্রে ব্রণের ধরণ অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা নির্ধারণ করা হয় না।ফলে ব্রণ একেবারে সমূলে উৎপাটিত হয় না।ব্রণ সম্পূর্ণ নিরাময় করতে হলে অবশ্যই উপযুক্ত মাত্রার ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.